November 14, 2019, 1:31 am

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের সাইটে স্বাগতম...
সংবাদ শিরোনাম :

সোনারগাঁওয়ে বৈদ্যেরবাজার খেয়া ঘাটে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, ঘাট দিয়ে যাতায়াত বন্ধকরে দিয়েছে কালাপাহাড়িয়ার মানুষ

সোনারগাঁও খবর ডটকম : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্যের বাজার খেয়া ঘাটে প্রতিনিয়ত চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। ইজারাদারদের চাঁদা বাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে কয়েকটি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ। আর চাঁদা তুলতে গিয়ে চাঁদাবাজরা যাত্রীদের সাথে করছে অশালীন আচরন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার খেয়া ঘাটটি বিআইডব্লিউটিএ থেকে ইজারা নিয়েছে পিরোজপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জাজির হোসেন।
বৈদ্যেরবাজার ঘাটটি দিয়ে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার প্রায় শতাধিক যাত্রীবাহী ট্রলার প্রতিদিন আসা যাওয়া করে।
বিআইডব্লিওটিএ ইজারা ঘাট দিয়ে যাত্রী চলাচলে জনপ্রতি শুধুমাত্র ট্রলারে উঠার সময় দুই টাকা করে নির্ধারন করা হলেও জাকির হোসেনের নিয়োজিত বাহিনীর লোকজন যাত্রী উঠার সময় পাঁচ টাকা এবং নামার সময় জনপ্রতি পাঁচ টাকা করে আদায় করছে। আর হাতে ভারি ব্যাগ দেখলেই ৫০/১০০ টাকা দাবী করে বসে। তাদের দাবী কৃত কাটা দিতে অস্বীকার করলেই শুরু হয় নানা রকম নির্যাতন। আট করে দেয়া হয় মালপত্র। বাধ্য হয়ে দিতে হয় অতিরিক্ত টাকা। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে অশালীন আচরন করা হয় এবং নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানী করা হচ্ছে।
এ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী যাতায়াত করে। তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন চাঁদাবাজ বাহিনীর সদস্যরা।
ভুক্তভোগী আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার একাধীক ব্যাক্তি জানান, অতিরিক্ত টাকা, অশালীন আচরন, নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানী চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসদের কারণে এ ঘাটি বর্জন করেছে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের জনগন। ওই ইউনিয়নের মানুষ বৈদ্যেরবাজার খেয়া ঘাটের পরিবর্তে আনন্দ বাজার ঘাট ব্যবহার করছে যাত্রীরা ও নৌযান মালিকরা।
যাত্রী পারাপারে জনপ্রতি দুই টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ভাংতির অযুহাত দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে পাঁচ টাকা আদায় করে আদায় কারা হচ্ছে। ইজারা ঘাটে যাত্রী নামতে টাকা নেওয়ার নিয়ম না থাকলেও ইজারা আইন অমান্য করে আসা-যাওয়ার দু’সময়ই আদায় করছে টাকা। কেউ প্রতিবাদ করলে তার সঙ্গে অশালীন আচরন ও নারীদের শ্লীলতাহানি করা হয়। শুধু তাই নয়, বিদেশ থেকে কোন মানুষ বৈদ্যের বাজার ঘাট দিয়ে বাড়ি যেতে হলে দিতে হয় ইজারা দারদের ইচ্ছে মাফিক টাকা। ইজারা দ্রাদের দাবীকৃত টাকা নাদিলে শুরু হয় ব্যাগ/লাগেজ নিয়ে টানাটানি। হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ ফেরত যাত্রীপ্রতি ৫/৭ হাজার টাকা। টাকা কমদিলে যাত্রীদের মারধরও করা হয়। বর্তমানে এঘাটদিয়ে শুধু মেঘনা উপজেলার মানুষ যাতায়াত করে। এধরনের কর্মকান্ড চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই ঘাটে দিয়ে মেঘনা উপজেলার মানুষ যাতায়াত করে না।
ইজারাদার জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।
সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার বলেন, এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

© All rights reserved © 2017 সোনারগাঁও খবর
Design BY Codeforhost.com
themesbsongar1727434411