January 29, 2020, 6:34 pm

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের সাইটে স্বাগতম...
সংবাদ শিরোনাম :
গজারিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা পবিত্র ওমরাহ হজ্ব পালনে চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলামের সৌদিআরবে উদ্দেশ্য যাত্রা,দোয়া কামনা গজারিয়ায় ওপেন হাউজ ডে ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি আবারো ডাকাতি, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট, আহত-১ সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশের অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার-২ ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বার্ষিক মিলাদ দোয়া মাহফিল ও বিদায় অনুষ্ঠিত মেঘনা শিল্পনগরী স্কুল এন্ড কলেজে এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়ামাহফিল অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে নিহত-১ আহত-২ সোনারগাঁওয়ে চৌধুরীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রেমিকার সাথে কথা বলতে মোবাইল ফোন আবিস্কার করলেন গ্রাহামবেল

সোনারগাঁও খবর ডেস্ক : প্রয়োজনের তাগিদেই আবিষ্কৃত হয়েছে পৃথিবীর সব বড় বড় আবিষ্কার। এজন্য বলা হয়, প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবনের জন্য। আধুনিক পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার হলো টেলিফোন। অনেকেই হয় তো জানেন না আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল কেন টেলিফোন আবিষ্কার করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি প্রেমিকার সাথে কথা বলতেই উদ্ভাবন করেছিলেন এ আশ্চর্য প্রযুক্তিটি। আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন। ঐ তরুণীর বাসা বিজ্ঞানী গ্রাহামবেলের বাসা থেকে অনেক দূরে হওয়ায় কথা বলা কঠিন হয়ে পড়তো। এজন্য প্রায়ই কেঁদে উঠতো তার মন।
তিনি একসময় চিন্তা করলেন,কীভাবে তার প্রেমিকার সাথে মন চাইলেই কথা বলা যায়। সে চিন্তা থেকেই তিনি আবিষ্কার করে ফেলেন টেলিফোন।
আমরা কাউকে ফোন করলেই প্রথমেই বলি হালো।
“হ্যালো” বলে যে শব্দটি উচ্চারন করি সেটা
একটি মেয়ের নাম। তার পুরো নাম “মার্গারেট
হ্যালো” (Margaret Hello). তিনি ছিলেন
টেলিফোন আবিষ্কারক অ্যালেক্সান্ডার
গ্রাহামবেলের প্রেমিকা। অ্যালেক্সান্ডার
গ্রাহামবেল মার্গারেট হ্যালোকে
খুব ভালোবাসতেন । তিনি যখন টেলিফোন
আবিষ্কার করলেন তিনি ভাবলেন টেলিফোনে
কথা বলা প্রথম শব্দটি হবে তার প্রেমিকার নাম। তাই
তিনি টেলিফোনে যখন প্রথম কথা বলেন তখন
উচ্চারণ করেছিলেন “হ্যালো”।
সেই থেকে হ্যালো শব্দটির প্রচলন হয়ে
আসছে বিশ্বজুড়ে। আদতে “HELLO” একটি
ইংরেজি শব্দ। এর কোন অর্থ নেই, এই শব্দটি
ইংরেজি ডিকশনারির অন্তরভুক্ত ছিল না, ১৮৮৩
সালে শব্দটি ইংরেজি ডিকশনারিতে অন্তরভুক্ত
করা হয় যার বাংলা করলে দাড়ায় “ওহে”।
আমরা আজ বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, মা-বাবা, ভাই-বোন, প্রেমিক প্রেমিকা যার সাথেই কথা বলি না কেন হ্যালো শব্দটি ব্যাবহার করে থাকি।

সুত্র : সংগৃহিত

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

© All rights reserved © 2017 সোনারগাঁও খবর
Design BY Codeforhost.com
themesbsongar1727434411