March 30, 2020, 5:25 am

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের সাইটে স্বাগতম...

সোনারগাঁওয়ে বন্ধ হচ্ছেনা অবৈধ বালু উত্তোলন প্রশাসনের নিরব

নিজস্ব প্রতিনিধি : সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনা নদীর আনন্দবাজার এলাকায় কয়েকটি শক্তিসালি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে চলছে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন। গনমাধ্য সংবাদ প্রকাশের পর ১৩ জন ড্রেজার শ্রমিককে আটকরে ভ্রাম্যান আদালত বসিয়ে সাজাদেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি। কিন্তু রহস্য জনক কারনে ড্রেজার আটক করেনিবলে আভিযোগ এলাকাবাসীর। ১৩ জন ড্রেজার শ্রমিককে সাজাদেওয়ার পর ২/৩ দিন বন্ধ ছিলো অবৈধ বালু উত্তোলন। গত কয়েক দিন ধরে দিন রাত ইজারাকৃত বালু মহালের বাহিরে গিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে বালু খেকোরা। মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলেফলে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। বালু খেকোদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মেঘনা আশেপাশের অনেক গ্রাম হুমকির মুখে রয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকাট গ্রাম নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ইতি মধ্যে মালিগাঁও, হাড়িয়া, গোবিন্দি, হাড়িয়া, বৈদ্যেপাড়া, সোনামুইসহ কয়েকটি গ্রাম নদীতে বিলীন হওয়ার হুমকিতে রয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে তারা সবাই স্থানীয় প্রভাবশালী। তাদের মধ্যে রয়েছেন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের টেকপাড়া আমিরাবাদ গ্রামের মৃত নুরু মিয়ার ছেলে আমির হোসেন,আল আমিন, রুহুল আমিন, মান্নানের ছেলে সুন্দর আলী, কবিরের ছেলে রাজু, বসরের ছেলে দ্বীন ইসলাম, সোবাহানের ছেলে শাহজাহান,মৃত রেজেকের ছেলে পরান, নজরুলের ছেলে তাইজুল ও শাহজাহানের ছেলে ফয়সাল। প্রতিদিন ১৫/২০ জনের একটি প্রভাবশালীরা- সিন্ডিকেট প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রাশ্যেও রাতের আধারে নদীর তীর ঘেষে অবৈধ ভারে বালু উত্তোলন করে আসছে।
মেঘনা নদীর আনন্দবাজার এলাকায় আমির হোসেন, আল আমিন ও রুহুল আমিনে নেতৃত্বে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ ছাড়া বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকার এলাকায় আমির হোসেন একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করেছে বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। ওই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের সঙ্গে আঁতাত করে মেঘনা নদী থেকে প্রতিদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে, মেঘনা নদীর আনন্দবাজার এলাকার ১৫-১৬টি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে বালু খেকোরা। ওই এলাকায় একটি ট্রলারে লাঠিসোটা নিয়ে পাহারা দিচ্ছে বালু উত্তোলনকারীদের লোকজন।
সোনারগাঁওয়ের মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ও বালু মহাল বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিও লেটার দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা। গত ২৬ নভেম্বও ২০১৯ সালে জেলা প্রশাসক ও ২৮ নভেম্বর পুলিশ সুপার বরাবর এ ডিও লেটার প্রদান করেন তিনি।
ডিও লেটারে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীর থেকে আল-আমিন ও এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও নৌ-চাঁদাবাজরা নুনেরটেক এলাকার মেঘনা নদীর তীর ঘেষে ৮/১০টি শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে রাতদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিও লেটার দিলেও বন্ধ হয়নি অবৈধভাবে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানান, উপজেলার আনন্দবাজারে অবৈধ বালুমহালের টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের টেকপাড়া আমিরাবাদ এলাকার মৃত. আরজ আলীর ছেলে জাকির হোসেন (৩২) নামে এক যুবক খুন হয়। এর পর কিছু দিন বালু উত্তোলন বন্ধ থাকে বালু উত্তোলন। আনন্দবাজার এলাকায় আমির হোসেন, আল আমিন ও রুহুল আমিনে নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট অবৈধ ভারে বালু উত্তোলন করে আসছে। অবৈধ বালু উত্তোলনে রয়েছে এমএম ড্রেজিং প্রকল্প, আল-আমনি ও আমির হোসেনের জিদনান ৩ ও ৬ স্বপ্নপূরীর মালিক শাহা। রুহুল আমিন ভাড়া নিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানান।
সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুর রহমান খানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

© All rights reserved © 2017 সোনারগাঁও খবর
Design BY Codeforhost.com
themesbsongar1727434411